
সব সংকট কাটিয়ে শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের বহুপ্রতিক্ষিত বে-টার্মিনালের নির্মাণকাজ। এরইমধ্যে মিলেছে ব্যক্তিমালিকানাধীন ৬৭ একর জমি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী বছরের জুন নাগাদ কার্যক্রম শুরু হবে এই টার্মিনালের। যা হবে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান অপারেশনাল এলাকার চেয়ে ৬ গুণ বড়।
২০৪৩ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য তৈরী করা ৩০ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনায় বলা হয়, অব্যাহত প্রবৃদ্ধির কারণে বিদ্যমান সুবিধা আর চলমান উন্নয়ন কাজ অনুযায়ী এই বন্দর স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা যাবে ২০২২ সাল পর্যন্ত। তাই ভবিষ্যত পরিস্থিতি মোকাবেলায় ২০২৩ সালের মধ্যে প্রস্তাবিত বে-টার্মিনাল নির্মাণের বিকল্প নেই। এই আলোকে ২০১৪ সালে শুরু হয় প্রক্রিয়া। সরকারের অনুমোদন আর নানা জটিলতা উতরে গিয়ে এখন এই টার্মিনাল নির্মাণ শুরুর পথে।
বে-টার্মিনাল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় মঙ্গলবার রাতে। যাতে প্রকল্প এলাকার ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ৬৭ একর জমির অধিগ্রহণ বাবদ জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয় ৩শ ৫২ কোটি ৬২ লাখ টাকার চেক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বন্দর ব্যবহারকারিরা বললেন, টার্মিনাল নির্মাণে যাতে কোন কালক্ষেপন না হয়।
নৌপরিবহন মন্ত্রী জানিয়েছেন, সহসাই শুরু হবে নির্মাণকাজ। প্রথম পর্যায়ে ৫২ একরে কন্টেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড আর ১০ একরে ট্রাক টার্মিনাল তৈরী হবে আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ। ব্যাপক সুবিধার বে-টার্মিনালের পুরো কাজ ২০২৩ সালে শেষের আশা করা হচ্ছে। যাতে ব্যয় হবে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। এই বিনিয়োগ নির্মাণ শেষের ১১ বছরের মধ্যে উঠে আসার কথা বলা হয়েছে সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদনে।
0 comments: