দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী পতিত জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ড্রাগন, বারি মাল্টা, সৌদি খেজুর ও কেরেলা নারিকেল চাষ করা হচ্ছে। কম খরচে লাভ বেশি পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এর সম্প্রসারণ। এসব বাগানের ফল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন বাজারেও।
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা কুন্দলহাট গ্রাম। এখানকার অধিকাংশ জমি ফসল উৎপাদনে অনুপযোগী। ২০১৫ সালে ১০ একর পতিত জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন, ভিয়েতনাম নারিকেল ও মাল্টার চারা রোপণ করেন প্রকৌশলী কামরুজ্জামান। বছর যেতে না যেতেই গাছে ফুল ও ফল আসে। পরে এসব ফল বিক্রি করে লাভবান হন তিনি। পরবর্তীতে এলাকার বেকার যুবকদের নিয়ে গড়ে তোলেন ইজি এগ্রোফার্ম।
বাগান মালিক কামরুজ্জামান বলেন, 'এই এলাকার জমিগুলো অনেক দিন ধরেই পড়ে ছিলো। পড়ে ভাবলাম এখানে কোনো লাভজনক কিছু করা যায় কিনা।'
কামরুজ্জামানের সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই এখন পতিত জমিতে ফলের চাষ করছেন। পরিচর্যা ছাড়া তেমন কোন খরচ না হওয়ায় লাভের মুখ দেখছেন তারা।
ফলচাষীরা বলেন, 'আমরা সবাই সবাইকে সহযোগিতা করি। সবাই লাভের মুখ দেখেছি।'
ফার্মটি পরিদর্শন করে বিভিন্ন সাহায্য ও পরামর্শ দেয়ার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তা। তাদের মতে, কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাগানটি সম্প্রসারণ করা হলে বিদেশেও ফল রপ্তানি সম্ভব।
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা কুন্দলহাট গ্রাম। এখানকার অধিকাংশ জমি ফসল উৎপাদনে অনুপযোগী। ২০১৫ সালে ১০ একর পতিত জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন, ভিয়েতনাম নারিকেল ও মাল্টার চারা রোপণ করেন প্রকৌশলী কামরুজ্জামান। বছর যেতে না যেতেই গাছে ফুল ও ফল আসে। পরে এসব ফল বিক্রি করে লাভবান হন তিনি। পরবর্তীতে এলাকার বেকার যুবকদের নিয়ে গড়ে তোলেন ইজি এগ্রোফার্ম।
বাগান মালিক কামরুজ্জামান বলেন, 'এই এলাকার জমিগুলো অনেক দিন ধরেই পড়ে ছিলো। পড়ে ভাবলাম এখানে কোনো লাভজনক কিছু করা যায় কিনা।'
কামরুজ্জামানের সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই এখন পতিত জমিতে ফলের চাষ করছেন। পরিচর্যা ছাড়া তেমন কোন খরচ না হওয়ায় লাভের মুখ দেখছেন তারা।
ফলচাষীরা বলেন, 'আমরা সবাই সবাইকে সহযোগিতা করি। সবাই লাভের মুখ দেখেছি।'
ফার্মটি পরিদর্শন করে বিভিন্ন সাহায্য ও পরামর্শ দেয়ার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তা। তাদের মতে, কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাগানটি সম্প্রসারণ করা হলে বিদেশেও ফল রপ্তানি সম্ভব।
0 comments: