![]() |
| 'ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ' পাইপ লাইন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন |
ভারত-বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক বিভিন্ন প্রকল্প দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন সম্ভাবনার দিগন্তকে আরো প্রসারিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তেল আমদানির জন্য 'ইন্ডিয়া- বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ' পাইপ লাইন নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভৌগোলিকভাবে দু'দেশ প্রতিবেশি হলেও তা আজ পারিবারিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ ইন্ডিয়া- বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ' পাইপ লাইনের ভারত অংশ থাকবে ৫ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের অংশে থাকবে ১শ' ২৫ মিটার। আগামী আড়াই বছরের মধ্যেই এ নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনের তৃতীয় ও চর্তুথ ডুয়েলগেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশন ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পেও উদ্বোধন করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেলে দেশের অর্থ সাশ্রয়ী হবে। আগামীতে দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি ডিজেল ভিত্তিক বিদ্রুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী এসব প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পারষ্পরিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয়- চতুর্থ ডুয়েল গেজে লাইন। জয়দেবপুর ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ হলে ঢাকা হতে পদ্মা সেতুর দক্ষিণ ও পশ্চিম অঞ্চল বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর উত্তরাঞ্চল। চট্টগ্রাম ও সিলেট রোডে ট্রেন চলাচল স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও দ্রুততর হবে। এর প্রকল্পের অবস্থান কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত। প্রকল্পটির আওতায় রেলওয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ ৯৬ কিলোমিটার ডুয়েল গেজে রেললাইন নির্মাণ করা হবে। ভারতের শিলিগুড়ি হতে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার বাংলাদেশ বাংলাদেশ ভারত 'ফ্রেন্ডশিপ' পাইপ লাইন উভয় দেশের দ্বিপাক্ষীক সহযোগিতার হিসেবে আরেকটি মাইলপলক।

0 comments: